অনুশীলনে যা চেয়েছেন কোচ শ্রীরাম ? আর যা পেলেন

সোমবার বৃষ্টিতে বার তিনেক ম্যাচ আবহে চলা অনুশীলন বন্ধ হয়েছে। তবে খেলা চলাকালে প্রায় পুরো সময় টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট শ্রীরাম মাঠেই ছিলেন। সেখান থেকেই পাখির চোখে ব্যাটারদের

ব্যাটিং ও বোলারদের বোলিং দেখেছেন। টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনও শ্রীরামের সঙ্গে মাঠে ছিলেন। নতুন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার শ্রীধরন শ্রীরামের তত্ত্বাবধানে আসলে কী হলো আজ?

সোমবার বৃষ্টি ভেজা দিনে শেরে বাংলায় টাইগাররা যে অনুশীলন করলেন, তার ধরনটাই বা কেমন ছিল? তাদের কী কোন লক্ষ্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছিল? এসব উত্তর দিয়েছেন জাতীয় দলের টিম ডিরেক্টর

খালেদ মাহমুদ সুজন। তিনি জানান, ব্যাটার-বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জ রাখা হয়েছিল। প্রথম ৬ ওভারে আমরা কী চাই, ব্যাটাররা কীভাবে ব্যাটিং করবে, বোলাররা কীভাবে বোলিং করবে। ছয় ওভার শেষ

হতে ৩০ মিনিটের মতো লাগে, আমাদের লেগেছে ৪৫ মিনিটের মতো। প্রত্যেকটা বোলারের সঙ্গে কোচ কথা বলছেন, কী করতে চাচ্ছে, সেটা বাস্তবায়ন করতে পারছে কি না। সুজন আরও বলেন, বোলিংয়ের

ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যা হয়, ম্যাচে গিয়ে আমরা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছি না। তো আজকে ওগুলোর একটা ম্যাচের আবহে অনুশীলন। একইসঙ্গে ডেথ ওভারে আমরা কী চাই,

কখন কিভাবে করবে, ফিল্ড প্লেসিং কী হবে? এসব নিয়ে খেলা চলাকালিনই মাঠে কথা হয়েছে। টিম ডিরেক্টরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার প্রথম ৬ ওভারে ব্যাটারদের সামনে টার্গেট বেঁধে দেয়া হয়েছিল

৫০ রান। আর এজন্য সর্বোচ্চ ২ উইকেট হারানো যাবে। বোলারদের বলে দেয়া হয়েছিল ৬ ওভারে ৪৫ রানের নিচে রাখতে হবে। এসবের জন্যই মূলত এই অনুশীলন। সুজন যোগ করেন, মাঠে তো কোচ-

ক্যাপ্টেন বলে দেবে না যে প্রতি বলে কী করতে হবে না হবে। তাদের ইন্টেট, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কী থাকছে, শর্ট বলে আপনারা হয়তোবা দেখেছেন আমরা অনেক চেষ্টা করেছি শর্ট বলে করতে। মাথায়

আমাদের যেহেতু বিশ্বকাপ, নিউজিল্যান্ডে সিরিজটা আছে, জানি যে আমরা ১৪০-১৪৫ বলের মাথায় খেলতে হবে অনেক। ওইটার সঙ্গে মানানসই করা। যদিও আমাদের কন্ডিশনটা তো আর ওদের মতো

না, তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি, যতটা শক্ত করা যায়, যাতে বাউন্স করে। আজকে একটু বৃষ্টির কারণে নরম হলেও বাউন্স করেছে, প্রথমেও বাউন্স করেছে। সামনের দুইটা দিন রোদ পাই, তাহলে

এরকমভাবে দেখতে চাইবো ছেলেদের। যাতে কঠিন কন্ডিশনে চ্যালেঞ্জটা নিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *