অবাক ক্রিকেট বিশ্বঃ পাওয়ারপ্লেতে ১৫ ক্রিকেটারকেই ব্যবহার করবে অস্ট্রেলিয়া!

আইসিসির নতুন নতুন নিয়ম কখনো দুর্ভাবনায় ফেলে দেয় দলগুলোকে। এমনই এক নিয়ম ইন ফিল্ড পেনাল্টি। ধীর বোলিং বা স্লো ওভার রেটের কারণে এখন মাঠেই ক্রিকেটারদের শাস্তি দেওয়া হয়। সেই শাস্তি হলে প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা দ্রুগতিতে রান

তুলতে থাকেন, তাই ফিল্ডার-বোলারদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়াই স্বাভাবিক! তবে সেই দুশ্চিন্তা লাঘব করতে অস্ট্রেলিয়া নিয়েছে ভিন্নধর্মী এক উদ্যোগ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা স্কোয়াডের ১৫ ক্রিকেটারকেই কাজে

লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।কোনো অধিনায়ক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বোলিং সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে এতদিন তাকে গুনতে হতো জরিমানা। তবে এখন চলছে মাঠে শাস্তির প্রচলন, সাথে জরিমানা তো আছেই। নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলে যে বলগুলো বাকি

থাকবে তাতে ফিল্ডিং দলকে বাউন্ডারি লাইনে অর্থাৎ ৩০ গজ বৃত্তের বাইরে একজন ফিল্ডার কম রাখতে হবে। এতে ব্যাটারদের রান তোলার কাজ আরও সহজ হয়।এই শাস্তি বোলিং দলকে কতটা বেকায়দায় ফেলতে পারে তা নিকট অতীতে দেখা গেছে।

অস্ট্রেলিয়া তাই কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপের স্বাগতিক ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল অভিনব এক ব্যবস্থার উদ্ভাবন ঘটিয়েছে, যাতে মাঠে বেশি সময় ক্ষেপণ হবে না, স্লো ওভার রেটের খড়গও পড়তে হবে না।কি সেই সমাধান? সাধারণত

মাঠের ১১ ক্রিকেটারই বাউন্ডারির বাইরে যাওয়া বলগুলো কুড়িয়ে আনেন, কারণ এখন আগের মতো বলবয়ের আধিক্য নেই বললেই চলে। এতে কিছুটা হলেও তো সময়ক্ষেপণ হয়। অস্ট্রেলিয়া তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, স্কোয়াডের যে ৪ সদস্য একাদশের

বাইরে থাকবেন অথবা যিনি ফিল্ডিং করবেন না, তিনি মাঠের বাইরে যাওয়া বল দ্রুত মাঠে ফেরত পাঠানোর কাজে নিয়োজিত থাকবেন। ইতোমধ্যে এমন নজির দেখাও গেছে।ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-২০ সিরিজে অজি ক্রিকেটাররা ফিল্ডিং

রেস্ট্রিকশনের শাস্তি এড়াতে এবং সময় বাঁচাতে মাঠে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বল ফেরত পাঠাচ্ছিলেন। বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে এই পদ্ধতির ব্যবহার বেশি হচ্ছে। কারণ এই সময়টায় মাত্র ২ জন খেলোয়াড় থাকেন বাউন্ডারি লাইনে, ফলে বাউন্ডারি থেকে বল

কুড়িয়ে আনতে অনেক সময় লেগে যায়। এই সময় বাঁচাতে কখনো কোচিং স্টাফের সদস্যদেরও দেখা যাচ্ছে বল কুড়িয়ে ফেরত পাঠাতে।অজি তারকা অ্যাশটন অ্যাগার বলেন, ‘পাওয়ারপ্লেতে বল বারবার বাউন্ডারির দিকে যায় এবং তখন ফিল্ডাররা বল সংগ্রহ

করতে গেলে সময় নষ্ট হয়। এটা খেলারই অংশ। তাই সময় ব্যবস্থাপনাটা কঠিন। এক্ষেত্রে দলের অন্যান্য সদস্যদের বাউন্ডারি লাইনে রাখলে আপনি ১০ সেকেন্ড বাড়তি সময় পাবেন। দিনশেষে এই সময়টা কিন্তু আপনার কাজে আসবে। খুব বেশি সুবিধা হয়ত আপনাকে দিবে না, কিন্তু এই কমন সেন্স ব্যবহার করে আপনি কিছুটা বাড়তি সময় তো পেতে পারেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *