Friday , 25 November 2022 | [bangla_date]
  1. ! Без рубрики
  2. 321chat fr review
  3. amino fr review
  4. android dating review
  5. Arablounge visitors
  6. artist dating review
  7. asiandate visitors
  8. babel review
  9. bhm dating review
  10. black dating review
  11. blackchristianpeoplemeet fr review
  12. Buffalo+NY+New York hookup sites
  13. bumble review
  14. Calgary+Canada hookup sites
  15. california payday loans

অসাধারণ জোড়া গোলে সার্বিয়াকে হারিয়ে হট ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ মিশন শুরু করলো ব্রাজিল!

প্রতিবেদক
Publisher Sanarbangla
November 25, 2022 9:07 am

প্রথমার্ধে ঠিক ব্রাজি’লকে ‘ব্রাজিলে’র মতো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না; কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সমর্থকদের মন ভরিয়ে দিয়েছেন নেইমার-ভিনিসিয়ুস-রিচার্লিসনরা। দ্বিতীয়ার্ধের ব্রাজিলকে দেখেই মনে হলো

এই দলটি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে। রিচার্লিসনের অসাধারণ জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে সার্বিয়াকে হারিয়ে ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ শুরু করলো ৫ বারের বিশ্ব’চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। শিরোপার

অন্যতম দাবিদার ব্রাজিলকে প্রথমার্ধে গোল পেতে দেয়নি ইউরোপিয়ান দেশ সার্বিয়া। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে প্রায় ৮৫ হাজার দর্শকের সামনে একের পর এক আক্র’মণ করেও প্রথমার্ধে গোলের

দেখা পায়নি সেলেসাওরা। ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ১ নম্বর দল ব্রাজিল। ২১ নম্বরে সার্বিয়া। কাগজে-কলমে ব্যবধান স্পষ্ট। মাঠের খেলায় প্রথমার্ধে সেই ব্যবধান দেখাতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে ঠিকই ব্রাজিল

দেখিয়েছে, তারা কতটা দুর্ধষ। বল দখলের লড়াইয়ে ৫৯ ভাগ ছিল ব্রাজিলের, ৪১ ভাগ সার্বিয়ার। সার্বিয়ার জাল লক্ষ্যে ৯টি শট নিয়েছে ব্রাজিলিয়ানরা। যার ৮টিই ছিল লক্ষ্যে। সার্বিয়া নিয়েছে ৩টি। এর

মধ্যে একটিও লক্ষ্যে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে সার্বিয়া খুব কমই বল পেয়েছে। সার্বদের ডিফেন্স ভেদ করে একের পর এ বল নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্রাজিলিয়ানরা। তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররাও

ছিল তৎপর। ব্রাজিলের মুহুর্মুহু আক্রমণ প্রতিরোধ করেছে তারা। লাতিন আমেরিকান দেশটিরও দুর্ভাগ্য, দুটি শট ফিরে এসেছে তাদের সাইড বারে লেগে। প্রথমার্ধে শুরুতে খেলার নিয়ন্ত্রণ কিছুটা

সার্বিয়ানদের পায়ে ছিলো। তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে খেলার নিয়ন্ত্রণ ব্রাজিলিয়ানদের কাছে আসলেও সার্বিয়ার ডি বক্সে বল নিয়ে প্রবেশ করার সাধ্য যেন ছিল না নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের। রাফিনহা

কয়েকবার সুযোগ পেয়েছিলেন; কিন্তু তার দুর্বল শট ব্রাজিলের পক্ষে গোল পেতে যথেষ্ট হয়নি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং রিচার্লিসন বল নিয়ে বিপজ্জনকভাবে দু’একবার সার্বিয়ার ডি বক্সে

ঢুকে পড়লেও সার্বদের কঠোর ডিফেন্সের সামনে সেগুলো কাজে লাগেনি। যে কারণে এক সময় দেখা গেছে নেইমার এবং ক্যাসেমিরোকে দুর পাল্লার শট নিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে। কিন্তু সেগুলোও জালে

জড়ায়নি। বরং, কাউন্টার অ্যাটাকে কয়েকবার ব্রাজিলের বক্সেও বল নিয়ে প্রবেশ করতে দেখা গেছে সার্বদের। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেলার চিত্র পুরোপুরি পাল্টে যায়। ব্রাজিল যেন এককভাবেই দ্বিতীয়ার্ধে

খেলেছে। সার্বিয়ান ডিফেন্স শুধু ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকানোতেই ব্যস্ত ছিল। ৬২তম মিনিটে প্রথম গোল করে ব্রাজিল। সুযোগ সন্ধানী রিচার্লিসন অসাধারণ এক শটে গোল করে এগিয়ে দেয় ব্রাজিলকে।

গোল হজম করে কিছু কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে আসে সার্বিয়ানরা। কিন্তু ৭৩ মিনিটে নেইমার-ভিনিসিয়ুস-রিচার্লিসন কম্বিনেশনে অসাধারণ গোলটি আসার পর সার্বিয়াকে বলতে গেলে ব্রাজিল গোলমুখে

আর খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ৭৮তম মিনিটে ইনজুরির শঙ্কা নিয়ে নেইমার উঠে যান। কয়েকজন তরুণ ফুটবলারকে মাঠে নামান কোচ তিতে। তাতে শেষ ১০-১৫ মিনিট খেলার গতি যেন পাল্টে যায়।

তিতের সাইড বেঞ্চ যে কতটা দুর্ধর্ষ, তা শেষ মুহূর্তে দেখা গেছে। ১৩ মিনিটেই প্রথম কর্নার আদায় করে নেয় ব্রাজিল। নেইমার শট নিলে গোলরক্ষক মিলিনকোভিক সাভিচ পাঞ্চ করে বল বাইরে

পাঠিয়ে দলকে রক্ষা করেন। নেইমারের পরের কর্নার কিকে রাফিনহা লাফিয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু তার আগেই বল গোলরক্ষকের হাতে। ২১ মিনিটের সময় পরপর দুই মুহূর্তে অসাধারণ দুটি শট নিয়েছিলে

নেইমার এবং ক্যাসেমিরো। নেইমারের শট ফিরে আসে এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে। ক্যাসেমিরোর শট ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক সাভিচ। ২৬তম মিনিটে সার্বিয়া গোলের দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিলো।

ব্রাজিলিয়ানদের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন তাদিচ। মিত্রোভিচকে ক্রস করেন তিনি। কিন্তু ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন লাফ দিয়ে উঠে সেই বল নিজের নিয়ন্ত্রনে নেন। ২৮ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ

পেয়েছিলো ব্রাজিল। থিয়াগো সিলভা বল পাস দিয়েছিলেন বক্সের মধ্যে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একা ছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষক সাভিচ ঝাঁপিয়ে পড়ে বল ক্লিয়ার করেন। ৩৫তম মিনিটে রাফিনহা দারুণ এক

সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার বাম পায়ের দুর্বল শট গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়। ৪১তম মিনিটে গোল্ডেন চান্স পেয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু সার্বিয়ান ডিফেন্ডারদের চার্জের কারণে

ভিনিসিয়ুস ভালো শট নিতে পারেননি। বল চলে যায় বাইরে। প্রথমার্ধে গোলশূন্যভাবেই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল এবং সার্বিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ৪৬তম মিনিটেই গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন

বার্সা তারকা রাফিনহা। সার্বিয়ার এক ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন তিনি। সামনে ছিলো শুধু গোলরক্ষক। বলটা আলতো টোকা দিলে হয়ে যেতো। কিন্তু তিনি মেরে দেন গোলরক্ষকের

শরীরে। ৪৯তম মিনিটে বক্সের সামনে ফ্রি-কিক আদায় করে নেন নেইমার। শট নেন তিনি। কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন সার্ব ডিফেন্ডাররা। কর্নার কিক করেন নেইমার। থিয়াগো সিলভার দুর্দান্ত এক

হেড, ঘাড়ে বল লাগিয়ে দলকে রক্ষা করেন সার্ব ডিফেন্ডার। ৫৫ মিনিটে বাম পাশ থেকে বক্সের মধ্যে ক্রস করেন ভিনিসিয়ুস। গোল লক্ষ্যে দুর্দান্ত এক শট নেন নেইমার। কিন্তু দুর্ভাগ্য বলটি চলে যায়

সাইড বারের অনেক বাইরে দিয়ে। ৫৮ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাক ছিল সার্বিয়ার। কর্নারের বিনিময়ে বলকে রক্ষা করেন অ্যালেক্স সান্দ্রো। ৬০ মিনিটে নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হলো ব্রাজিল।

বক্সের বাইরে প্রায় ৩০ গজ দুর থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত এক শট নেন আলেক্স সান্দ্রো। কিন্তু বল বামপাশের সাইডবারে লেগে ফিরে আসে। ৬২ মিনিটে গোল করে ব্রাজিল। অনেক কষ্টের পর আসে গোলটি।

নেইমার বল নিয়ে ঢুকে পড়েন বক্সের মধ্যে। ডিফন্ডোরের সামনে বাধা পেলে সুযোগ বুঝে গোলে শট নেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিরিয়ে দেন বলটি। ফিরতি বলটিতেই আলতো

টোকায় সার্বিয়ার জালে বল জড়িয়ে দেন রিচার্লিসন। ৬৭ মিনিটে আবারও সুযোগ পেয়েছিলো ব্রাজিল। কাউন্টার অ্যাটাকে মাঝ মাঠ থেকে রাফিনহা বল নিয়ে এগিয়ে আসে সার্বিয়ার বক্সের সামনে।

ডিফেন্ডার বাধা দিলে সেই বল নিয়ে কয়েক পা এগিয়ে এসে শট নেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু পোস্ট লক্ষ্যে শটটি রাখতে পারেননি তিনি। ৭৩তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল। রিচার্লিসনের এই গোলটি চোখে লেগে

থাকার মত। বক্সের বাম প্রান্ত থেকে ডান-পায়ের টোকায় বক্সের মাঝে দাঁড়ানো রিচার্লিসনকে বলটি দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। রিচার্লিসন প্রথমে বলটি নিয়ন্ত্রনে নেন। হালকা উপরে উঠে যাওয়া

বলটিকে একটু সময় নিয়ে অসাধারণ এক বাইসাইকেল কিকে সার্বিয়ার জালে বল জড়ান তিনি। ৭৭ মিনিটে রিচার্লিসনকে তুলে গ্যাব্রিয়েল হেসুসকে মাঠে নামানো হয়। নেইমার হালকা আহত হলে

তাকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো অ্যান্তোনিকে। তার আগেই ভিনিসিয়ুসকে তুলে মাঠে নামানো হয় রদ্রিগোকে। ৮১ মিনিটে রাফিনহার কাছ থেকে বল পেয়ে ক্যাসেমিরো শট নেন। কিন্তু বল ডান প্রান্তে

পোস্টের কোনায় লেগে ফিরে আসে। ৮২তম মিনিটে রদ্রিগো দুর্দান্ত এক শট নেন। কিন্তু গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেন সেটি। ৮৩ তম মিনিটে বাম পায়ের দুর্দান্ত এক শট নেন লুকাস পাকুয়েতার পরিবর্তে

মাঠে নামা ফ্রেড। কিন্তু গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটি রক্ষা করেন।

সর্বশেষ - ক্রিকেট

আপনার জন্য নির্বাচিত

এক সময়ের বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিকেটার নান্নু আজ সবার কাছে ট্রলের পাত্র

ইরাক সীমান্তে এসে ফিরে গেল কোস্টারিকা দল, বিশ্বকাপই খেলবেন না

মেসির বার্সায় ফেরার সম্ভাবনা বাড়ল আরও কিন্তু পিএসজিও সহজে ছেড়ে দিতে নারাজ

দারুন সুখবর : এই দূরাবস্থায় বীরের মতো অধিনায়ক হয়েই আবার ক্রিকেটে ফিরছেন মাশরাফি

সাইফুদ্দিনের অনন্য এক ফিফটি, সহজ ক্যাচ ফেলে দেওয়া লাগামহীন বোলিংয়ে ম্যাচের ‘খলনায়ক’ সাইফউদ্দিন

এক নজরে দেখেনিন এবারের বিশ্বকাপ খেলাতে বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপের শক্তি এবং চমক!

অবাক কান্ডঃ গরুর কলিজা খেয়েই গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন হালান্ড!

মাত্র পাওয়াঃ বিশ্বকাপে ভাগ্য খুলতে পারে সৌম্য,সাব্বির, ইমরুলদের

বাংলাদেশ টি-২০ দলে টপঅর্ডার সমস্যা নয়, বাংলাদেশ দলে মূল সমস্যা ফাঁস

দীর্ঘ ৩ বছর পর জাতীয় দলে ফিরে সবাইকে চমকিয়ে নিজে নিজেই বো’মা ফাটালেন সাব্বির