এবারে এশিয়া কাপ জিততে বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন মন্ত্র বলে দিলেন সুজন

ক্রিকেট শর্ট ফর্মেট টি-২০ মানে ভয়-ডরহীন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। এখানে উইকেটে এসে থিতু হয়ে শট খেলার সময় থাকে না কোন ক্রিকেটারদের হাতে।যত সময় পিচে থাকতে হয় তত সময়

দ্রুত রান তুলতে হয়। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের এমন ক্রিকেটের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে পারছে না বাংলাদেশ। এর ফলে ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙ্গতে পারছে না দল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আক্রমণাত্মক

ক্রিকেটের বিকল্প দেখছেন না খালেদ মাহমুদ সুজন। বাংলাদেশ দল সর্বশেষ সফরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাজে ভাবে খেলেছে। আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের

অভাব এই সিরিজে ভালোভাবেই টের পেয়েছে বাংলাদেশ। রোডেশিয়ানদের কাছে সিরিজে হেরেছে ২-১ ব্যবধানে। যদিও সিরিজ শুরুর আগে ভয়-ডরহীন ক্রিকেট খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল

টিম ম্যানেজমেন্ট। টি-টোয়েন্টিত ব্যর্থতার এই বৃত্ত থেকে কিছুতেই যেন বের হতে পারছে না বাংলাদেশ। ঘুরে দাঁড়াতে সম্প্রতি নেতৃত্বেও পরিবর্ত্ন আনা হয়েছে। সাকিব আল হাসানের অধিনায়কত্বে

আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলাই এখন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। সুজন বলেন, ‘আমরা আক্রমণাত্মক মনোভাবটা তৈরি করতে পারছি না। একটা দ্বিধা নিয়ে ব্যাটিং করে ব্যাটাররা। আপনি যখন আন্তর্জাতিক

টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন আপনাকে হয় ১৮০ রান করতে হবে, আর না হয় আপনি ১০০ রানে অল আউট হয়ে যান। আমি এটার পক্ষে। আপনি যদি জিততে চান, আপনাকে বড় রান করেই জিততে

হবে।’ আসন্ন এশিয়া কাপের পর টি-টোয়েন্টি সংস্করণে আরও একটি মেগা ইভেন্টে খেলবে বাংলাদেশ। এ বছরের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বসবে টি-টোয়েন্টির বিশ্ব আসর। সেই আসরকে

সামনে রেখে এখন থেকেই পরিকল্পনা সাজাচ্ছে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। বাংলাদেশের টিম ডিরেক্টর বলেন, ‘আপনি অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে যখন বিশ্বকাপ খেলবেন, তখন ১২০-১৩০ রান

করে ম্যাচ জিততে পারবেন না। ১৮০ রানের জন্যই খেলতে হবে। আর না হয় আপনি যদি ১১০ রানে অলআউট হয়ে যান তাহলে আমি কিছুই মনে করবো না। কিন্তু আমি চাই যে, ছেলেরা আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলুক।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *