এশিয়া কাপে নতুন যে পজিশনে দেখা যেতে পারে তরুন অলরাউন্ডার ক্রিকেটার আফিফকে

জিম্বাবুয়েতে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি দুটি সিরিজেই হার স্বীকার করে নিতে হয়েছে টাইগারদের। আপাতদৃষ্টিতে জিম্বাবুয়ে থেকে একগুচ্ছ ব্যর্থতা নিয়ে ফিরছে বাংলাদেশ। তবে অপ্রাপ্তির এ সফর

থেকেও দুটি প্রাপ্তি রয়েছে বাংলাদেশের। সে দুটি হলো এনামুল হক বিজয় এবং আফিফ হোসেন। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যর্থ হলেও ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে ঠিকই জ্বলে উঠেছেন এনামুল। সুযোগ

পাওয়া দুটি ওয়ানডেতে ৭১ এবং ৭৭ রানের ঝড়ো দুটি ইনিংস খেলেন এই ক্রিকেটার। ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি সব জায়গাতেই সাম্প্রতিক সময়ে ভালো পারফর্ম করেছেন আফিফ। উইন্ডিজের

বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টিতে দেখা পেয়েছিলেন হাফ সেঞ্চুরির। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ দুই ওয়ানডেতেও যথাক্রমে ৪৫ এবং ৮১ রানের দুর্দান্ত দুটি ইনিংস খেলেন। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ

ওয়ানডেতে টাইগারদের জয়ের পেছনের নায়ক ছিলেন আফিফ। যে ক্রিকেটার প্রথম বল থেকেই রান নিতে সক্ষম, প্রয়োজনে ক্রীজে লম্বা সময় ধরে খেলতে পারেন তাকে কোন যুক্তিতে ৭

নম্বরে ব্যাটিং করানো হচ্ছে? ব্যাপারটি বেশ সহজ, বয়সের কারণে মাহমুদুল্লাহর ব্যাটিংয়ে এখন আর আগের সেই তেজ নেই। ফলে শেষের ওভারগুলোতে ঝড় তুলতে ব্যর্থ এই ক্রিকেটার।

তাই একটু উপরে ব্যাট করছেন রিয়াদ। রিয়াদের উপরে ব্যাট করার কারণেই মূলত সাত নম্বরে খেলতে হচ্ছে আফিফকে। প্রথম বল থেকেই রান করতে পারেন আফিফ। তাকে এত নিচে খেলিয়ে

তার প্রতিভার পূর্ণাঙ্গ সুবিধা নিতে পারবে কি বাংলাদেশ দল? ওয়ানডে কিংবা টি টোয়েন্টি নিশ্চিতভাবেই আফিফকে একটু উপরে খেলানো উচিত টিম ম্যানেজমেন্টের। বর্তমান যুগের ক্রিকেটে

মিডল ওভার কিংবা শেষের ওভার কোনো খানেই ডট বল খেলার সুযোগ নেই। সিঙ্গেল এবং ডাবল নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সুনাম রয়েছে আফিফের। সামনের এশিয়া কাপে নিশ্চয়ই আরেকটু

উপরে খেলানো উচিত এই ক্রিকেটারকে। খুব সম্ভবত ৪ নাম্বার পজিশন আফিফের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হবে। ওপেনাররা দ্রুত রান তুলতে পারলে সেটিকে আরও বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে

যেতে পারবেন এই ক্রিকেটার। আবার ওপেনাররা যদি দ্রুত প্যাভিলিয়নের পথ ধরে তাহলে লম্বা সময় টিকে থাকার পাশাপাশি রানের চাকাও সচল রাখতে পারবেন তিনি। দলের জন্য ভালো কিছু করার সুযোগ আফিফকে দেবেন তো টিম ম্যানেজমেন্ট?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *