Friday , 26 August 2022 | [bangla_date]
  1. ! Без рубрики
  2. 321chat fr review
  3. amino fr review
  4. android dating review
  5. Arablounge visitors
  6. artist dating review
  7. asiandate visitors
  8. babel review
  9. bhm dating review
  10. black dating review
  11. blackchristianpeoplemeet fr review
  12. Buffalo+NY+New York hookup sites
  13. bumble review
  14. Calgary+Canada hookup sites
  15. california payday loans

কাল থেকে শুরু উত্তেজনাপূর্ণ এশিয়া কাপ, দেখে নিন বাংলাদেশের সম্ভাব্য সমীকরণ

প্রতিবেদক
Tanvir Dk
August 26, 2022 8:43 am

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জিম্বাবুয়ে সফরের পর থেকে নতুন শুরুর কথা বলছে। বাংলাদেশ টি-২০ দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান হওয়ার পর একটি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, একটা নতুন শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।তিনি নিজেই আবার

বলেছেন, “কয়েক দিন পর পরই যদি নতুন শুরু হয় তবে সেটা বাংলাদেশের জন্য ভালো কিছু নয়।”তবে দেখা উচিত এ কেমন নতুন দল, আসলেই এটা নতুন কিছু। এই নতুন শুরুতে বাংলাদেশের দলে ঢুকেছেন সাব্বির রহমান।তিন বছর আগে তিনি দল

থেকে বাদ পড়েছিলেন, এরপর কেউই তার জায়গায় ব্যাট করে ভালো করতে পারেননি। তিনি মূলত নিজের পারফরম্যান্সের চেয়েও দলে ঢুকেছেন অন্য ক্রিকেটারদের ব্যর্থতার কারণেই।একই সাথে দলে ফিরেছেন নাইম শেখ, এই টি টোয়েন্টি

ওপেনারের স্ট্রাইক রেট ১০৩। সাম্প্রতিক সময়ে সাব্বির বা নাইম বলার মতো কোনো টি টোয়েন্টি ইনিংসই খেলেননি।স্থানীয় গণমাধ্যমে নির্বাচকরা বলেছেন, নাইম শেখ মূলত দলে ঢুকেছেন কারণ, তাদের হাতে উপায় নেই।একে তো লিটন দাশের

ইনজুরি, তামিম ইকবাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টি টোয়েন্টি ফরম্যাট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ওপেনার আছেন কেবল এনামুল হক বিজয় আর নবাগত পারভেজ ইমন। তাই একজন ওপেনার দলে সাথে নিয়ে গেছেন তারা।তাই এটাকে কতটা

নতুন শুরু বলা যায় তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।’বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের পারফরম্যান্স খারাপ’, এই বক্তব্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও স্বীকার করেছেন কিছু দিন আগে।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?এশিয়া কাপে বাংলাদেশে নতুন করে শুরু করতেই হবে, নতুবা এই দলটির টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে উন্নতির কোনো আশা নেই।

শেষ ১৯ ম্যাচে, মাত্র চারটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে বাংলাদেশের খেলা ১৩১টি ম্যাচের ৮৩টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ, জয় পেয়েছে ৪৫টিতে।

২০২১ সালে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের পর বাংলাদেশ পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের সাথে সিরিজ হেরেছে এবং আফগানিস্তানের সাথে সিরিজ ড্র করেছে।

অর্থাৎ শেষ চারটি সিরিজে জয় পায়নি বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল।

বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক রেট করুণকিছু দিন আগেই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কত্ব হারানো মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের স্ট্রাইক রেট ১১৭। বর্তমান অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের স্ট্রাইক রেট ১২০। বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক যিনি টি-টোয়েন্টি দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, তামিম ইকবালের স্ট্রাইক রেট ছিল ১১৭। বর্তমান দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য মুশফিকুর রহিমের স্ট্রাইক রেট ১১৫। বাংলাদেশের হার্ড হিটার হিসেবে বিবেচিত সাব্বির রহমানের টি-টোয়েন্ট স্ট্রাইক রেট ১২০।

বাংলাদেশের ক্রিকেট দলের ভবিষ্যৎ ভাবা হয় আফিফ হোসেনকে, ৪৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পরেও তার গড় ২০ এর নিচে, স্ট্রাইক রেট ১১৮। টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত ওপেনার নাইম শেখের স্ট্রাইক রেট ১০৩। দলে সুযোগ পাওয়া উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান এনামুল হক বিজয়ের স্ট্রাইক রেট ১১৫। স্লগ করতে পারেন বলে ধারণা করা হয় শেখ মেহেদি হাসান, তার স্ট্রাইক রেট ১০৪। দেশ ছাড়ার আগে পাওয়ার ক্রিকেটের কথা বলেছেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, তার স্ট্রাইক রেট ১০৯। বাংলাদেশের একমাত্র পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের স্ট্রাইক রেট ১১৫, তাকেও হার্ড হিটার বিবেচনা করা হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটে। বাংলাদেশের তিন ফরম্যাটেই নিয়মিত ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজের স্ট্রাইক রেট ১১৭। যেখানে প্রতিপক্ষ দলের বাবর আজমকে ১২৮ স্ট্রাইক রেট নিয়েও সমালোচনা সইতে হয়, ভারতের লোকেশ রাহুল ১৪২ স্ট্রাইক রেট নিয়েও দলে জায়গা নিয়ে নিশ্চিত নন।

বাংলাদেশের বোলিং নিয়ে খানিকটা স্বস্তি আছেটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের একমাত্র স্বস্তির জায়গা বোলিং।

বাংলাদেশের দুজন স্পিনার নাসুম আহমেদ ও শেখ মেহেদী হাসান নিয়মিত পাওয়ার প্লেতে দলকে উইকেট এনে দিচ্ছেন। এতে করে প্রতিপক্ষ কিছুটা হলেও বিপাকে পড়ে শুরুতেই। কিন্তু পুরো বিশ ওভারজুড়ে ভালো বোলিং করা হয়না।

বাংলাদেশের বোলিংয়ে সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শক্তিশালী পেস বোলিং না থাকা।

তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, সাইফুদ্দিনরা উইকেট পেলেও বেশ খরুচে বোলিং করেন।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে স্পিনটা কাজে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ধরনের উইকেটে বলে গ্রিপ পাওয়া যায়, স্পিনটাও ধরে ভালো।

নাসুম, মেহেদীরাও সুযোগ পেলে ভালো করতে পারবেন এই ধরনের কন্ডিশনে।

তবে সামগ্রিকভাবে দলের ভালো করতে হলে পেস বোলারদের যথাযথ প্রভাব ফেলা ও ব্যাটসম্যানদের রানের গতি বাড়ানোটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

আগামীকাল শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে এশিয়া কাপ।

২০১৬ সালের মতো, এবারের এশিয়া কাপ হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে।

সর্বশেষ - খেলাধুলা

আপনার জন্য নির্বাচিত

বড় সুখবরঃ এশিয়া কাপের ১ম ম্যাচেই নতুন ১ বিশ্ব রেকর্ড গড়তে চলেছেন সাকিব

বাংলাদেশকে একদিন বিশ্বকাপ জিতানোর স্বপ্ন দেখিঃ ইয়াসির আলি চৌধুরি

রাত ২ টায় কেন বাসা থেকে বেরিয়ে যায় মামুন, ফিরে আসেন ভোর ৬টায়

আর সুযোগ নাই, এবার মুস্তাফিজকে ধুয়ে দিলে বিসিবি সভাপতি পাপন

টাইগারদের‘গর্জনের সময় এখনই’ সাকিব

ওপেনার সংকটে ভুগবে থাকা বাংলাদেশ তামিমের অভাব হারে হারে টের পাচ্ছে, পাপন চাইলেই টি ২০ তে তামিম ফিরবে?

মাত্র পাওয়াঃ সবাইকে অবাক করে সাকিবকে বাদ দিয়ে মাশরাফিকে দায়িত্ব দিলেন বিসিবি

ব্রেকিং নিউজঃ চ্যাম্পিয়ন ভারতকে সুপার ফোর থেকে বিদায় করল শ্রীলঙ্কা

পঞ্চপান্ডব ছাড়া দুর্বল দলের সাথে টি-২০ সিরিজ জয়; যা বললেন মুশফিক

ইনজুরিকে বন্ধু মনে করেই সবাই সেরাটা দিলে বিশ্বকাপ জিতবো : হাসান মাহমুদ