ডমিঙ্গোর উপর থেকে এবার ভরসা উঠে গেছে বিসিবির, সব ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে সাকিবের হাতে

দেরিতে হলেও ক্রিকেট বোর্ড শেষ পর্যন্ত ডমিঙ্গোর অকার্যকারিতা স্বীকার করে নিয়েছে। বিগত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর থেকেই ডমিঙ্গোকে পদচ্যুত করার জন্য উঠে পড়ে লেগে গিয়েছিল দেশের মিডিয়া এবং সাধারণ জনগণ।

তবে সেই সময়ে ক্রিকেট বোর্ডকে পাশে পেয়েছিলেন এই প্রধান কোচ। হয়তোবা ক্রিকেট বোর্ডকে ট্রাপে ফেলে বেশ মোটা অঙ্কের চুক্তি আগেই করে রেখেছিলেন ডমিঙ্গো। ফলে তখনই ডমিঙ্গোকে ছাটাই করলে ক্রিকেট বোর্ডকে বড় ধরনের অর্থ

লোকশান দিয়েই এই কোচকে বহিষ্কার করতে হতো। তবে ডমিঙ্গোর চুক্তির সময় এখন প্রায় শেষের দিকে, এবং দলের পারফরমেন্সও নিম্নমুখী। তাই বিগত সময়গুলো বোর্ডেকে পাশে পেলেও এখন আর বোর্ডকেও পাশে পাচ্ছেন না এই দক্ষিণ

আফ্রিকান কোচ।বোর্ডের প্রতিনিধি হয়ে খালেদ মাহমুদ সুজন সোজা সাপটাই বলেছেন”আমাদের যে ফিলোসফির কোচ দরকার ডমিঙ্গো সেই রকম একদমই না।”অর্থাৎ দেরিতে হলেও বিসিবির পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়েছে যে ডমিঙ্গো

টাইগারদের জন্য আদর্শ কোচ নয়। দেশের ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকান কোচের এই অধ্যায় এক ঝাঁক ব্যর্থতায় ঘেরা। মাঝে মাঝে টুকটাক সাফল্য এলেও ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী। এত ব্যর্থতার পরও কোনো কোচকে বিসিবি এর আগে চাকরি বহাল রাখেনি।

একমাত্র ডমিঙ্গোই এত ব্যর্থতার পরও বেশ লম্বা সময় ধরেই দেশের ক্রিকেটে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন। সামনের ম্যাচগুলোতে ডমিঙ্গোর প্রভাব দলের ওপর কতটুকু পড়বে এবং সাকিব সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধাগ্রস্ত হবেন কিনা এ প্রশ্ন করা হলে বোর্ড

প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন বলেন”দেখুন একটি কথা প্রথমত আপনাদের সবাইকে বুঝতে হবে, সাকিব যখন অধিনায়ক হয় তখন দলের একাদশ সাকিবই নির্বাচন করে। এখানে কোচ কে এটি নিয়ে সাকিব মাথা ঘামায় না। তাই সাকিবের সিদ্ধান্তগুলো বাধাগ্রস্ত হবে এমন কোনো শঙ্কা নেই।”

অর্থাৎ বোর্ডের পক্ষ থেকে সাকিবকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। দেশের ক্রিকেটে খারাপ সব খবরগুলোর মধ্যে এটি একটি সুসংবাদ। নিশ্চিতভাবেই সাকিবের নেতৃত্বে দলটি বদলে যাওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ দলের হেড কোচ ডমিঙ্গো থাকলেও ধীরে ধীরে দলের উপর থেকে প্রভাব কমতে শুরু করেছে এই দক্ষিণ আফ্রিকানের। খালেদ মাহমুদ সুজনও বোধ হয় এখন এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচের চেয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বেশি ক্ষমতাশীল অবস্থানে রয়েছেন। এশিয়া কাপে টাইগারদের সেরা পারফরমেন্সটুকু বের করার বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে সাকিব এবং সুজনের উপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *