তার পরামর্শেই সাজানো হয়েছে এশিয়া কাপের স্কোয়াড- প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু

সাব্বির রহমানের দলে ফেরা কিংবা চোটের শঙ্কা ঝেড়ে ফেলে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের প্রত্যাবর্তন সাকিবের নির্দেশনাতেই। এ নিয়ে অনেক কথা উঠবে জেনেও নির্বাচকরা আপত্তি করেননি, কারণ

ঐ একটাই- সাকিবের চেয়ে ভালো ক্রিকেট জ্ঞান এ দেশে কার আছে! এন্ডর্সমেন্ট বিতর্কে যিনি কিনা দিন কয়েক আগে দল থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় ছিলেন, টি-টোয়েন্টি দলের ঘোর দুঃসময়ে

সেই সাকিব আল হাসানের হাতেই তুলে দেওয়া হয়েছে গোটা স্কোয়াড। আক্ষরিক অর্থেই যেন তাই! মাঠের নামার আগে কিংবা অধিনায়ক হিসেবে নাম ঘোষণার আগেই কার্যত ক্যাপ্টেন্সি শুরু

করে দিতে হয়েছে সাকিবকে। এশিয়া কাপের দল গঠন হয়েছে তার পরামর্শেই। সাব্বির রহমানের দলে ফেরা কিংবা চোটের শঙ্কা ঝেড়ে ফেলে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের প্রত্যাবর্তন সাকিবের

নির্দেশনাতেই। এ নিয়ে অনেক কথা উঠবে জেনেও নির্বাচকরা আপত্তি করেননি, কারণ ঐ একটাই- সাকিবের চেয়ে ভালো ক্রিকেট জ্ঞান এ দেশে কার আছে! দল গঠনের সাকিবের ভূমিকা

যে কতখানি, তা স্পষ্ট শনিবার দিনভর চলা টিম মিটিংয়ের রোমাঞ্চে। বিসিবির বাসভবনে মিটিং ডেকেছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। সভাপতির ডাকে প্রথমেই হাজির সাকিব। এরপর একে

একে টিম ডিরেক্টর ও বোর্ড পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন, প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আরেক নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান

জালাল ইউনুস। দল ঘোষণার প্রাক্বালেই মূলত চূড়ান্ত হল দল। এর আগে বোর্ড যে কাজটুকু করে রেখেছিল তা শুধুই অধিনায়ক হিসেবে সাকিবকে মনোনীত করা। প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল

আবেদিন নান্নুও জানালেন, সাকিবের পরামর্শেই সাজানো হয়েছে এশিয়া কাপের স্কোয়াড। সাকিবের নেতৃত্বে দল এবার ঘুরে দাঁড়াবে, এমন আশাও তার। নান্নু বলেন, ‘সাকিবের সাথে সব কিছু নিয়ে

আলোচনা হয়েছে। আশা করছি এশিয়া কাপ থেকে আমরা ভালো পারফরম্যান্স পাব। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আমরা খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই। এগুলো নিয়ে সাকিবের সাথে আলোচনা

করেই আমরা এই দল তৈরি করেছি।’ চুক্তির বিতর্কে সাকিব যখন দলে অনিশ্চিত, তখন নির্বাচকদের গোটা হিসেবনিকেশই ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা ছিল। শেষপর্যন্ত সাকিবের হাতে দল তুলে দিতে

পেরে প্রধান নির্বাচকের কণ্ঠেও স্বস্তি। তিনি বলেন, ‘সেরা খেলোয়াড়কে না পেলে তো দলে সবসময় একটা চাপ কাজ করে। এখন পেয়েছি, স্বস্তি।’ শনিবার রুদ্ধশ্বাস মিটিং শেষে অধিনায়ক হিসেবে

নাম ঘোষণার পর সাকিব যখন বিসিবি সভাপতির বাসভবন ছেড়ে যাচ্ছেন, সবাইকে উদ্দেশ্য করে ছুঁড়ে দিলেন একটা ফ্লায়িং কিস। সেই ফ্লায়িং কীসের অর্থ কি এই যে- যত ব্যাড বয়ই হই না

কেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটটাকে তো আগলে রাখি আমিই!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *