তালের হরেক রকম সুস্বাদু পিঠা, সহজেই তৈরি করবেন যেভাবে

তালে রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, পটাশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম সহ আরো অনেক খনিজ উপাদান। এর সঙ্গে আরও আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান।

তালসত্ত্ব: তালের রস ও চিনি দিয়ে বানানো হয় তালসত্ত্ব। এটি রোদে শুকিয়ে সারাবছর খাওয়া যায়। অনেকে ভাত ও দুধের সঙ্গে এই তালসত্ত্ব খেয়ে থাকেন।তালের জুস: তালের ক্বাথ, দুধ চিনি দিয়ে জুস বানানো যায়। তাও যেহেতু ভাদ্র মাসে পাকে সেইসময়ের গরমে এই জুস খাওয়ার প্রচলন রয়েছে।

তালের বড়া: তালের ঘন নির্যাস এর সঙ্গে ডিম, চালের গুড়া, গুড় বা চিনি এবং কখনও নারিকেল দিয়ে তালের পিঠা তৈরি করা হয়। গ্রামগঞ্জের পিঠার ঐতিহ্য রয়েছে তালের পিঠা সুন্দর সুবাস রয়েছে।

তালের কেক: কেকের সব উপকরণের সঙ্গে তালের রস মিশিয়ে কেক বানানো হয়। এর রং খুবই আকর্ষণীয় হয়। তালের কেক এর মধ্যে চিনি কম এবং ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের জন্য ভালো খাবার হতে পারে।

তালের সেকাঁ পিঠা: চিনি, দুধ, নারিকেল যোগ করে তালের ক্বাথ জাল দিয়ে তার সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে কলাপাতায় খামির রেখে চলে সেকে নিয়েও খেতে দেখা যায়। এছাড়া তালের রুটি ও একটি মজাদার নাস্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *