দর্শকদের চাপে পরেই এরকম কান্ড করেছেন বিদায়ী টেলর!

একেই হয়তো নিয়তি বলে। দীর্ঘ ১৪ বছরের বেশি সময় টেস্ট ক্রিকেটে দলকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সার্ভিস দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের কিংবদন্তি ব্যাটার রস টেলর। আর আজ (মঙ্গলবার) ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টের বিদায়ী দিনে তার হাত ধরেই

বাংলাদেশকে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।ক্রাইস্টচার্চের হাগলি ওভালে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তিনদিনের ভেতরেই বাংলাদেশকে ইনিংসে ও ১১৭ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ উইকেটটি

নিয়েছেন বিদায়ী টেস্ট খেলতে নামা রস টেলর। তার ঝুলিতে জমা পড়ুক শেষ উইকেটটি, এমনটা চাচ্ছিলেন মাঠে উপস্থিত দর্শকরাও।কাইল জেমিসন-নেইল ওয়াগনারের তোপে ৯ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের পরাজয় যখন নিশ্চিত, তখন শেষ

উইকেট নেওয়ার জন্য বিদায়ী ম্যাচ খেলতে নামা রস টেলরকে ডাকেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম লাথাম। হাগলি ওভালে উপস্থিত দর্শকদের একদমই হতাশ করেননি এ বিদায়ী ক্রিকেটার।টেলরের ওভারের তৃতীয় বলে বড় শট খেলতে গিয়ে

আকাশে ভাসিয়ে দেন এবাদত হোসেন। সেই বল লাথাম তালুবন্দী করতেই নিশ্চিত হয়ে যায় কিউইদের ইনিংস ও ১১৭ রানের ব্যবধানে জয়। আর টেলরকে ঘিরে উদযাপনে মাতেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটাররা।ম্যাচ শেষে টেলরকে বোলিংয়ে আনার

ব্যাপারে কিউই অধিনায়ক বলেছেন, ‘টেলরকে বোলিংয়ে আনার জন্য দর্শক, এমনকি অন্য খেলোয়াড়রাও চাপ দিচ্ছিল। তবে এখানে আম্পায়ারদেরও ভূমিকা আছে। তারা বলছিল, অন্ধকার হয়ে আসছে তাই আর পেসার দিয়ে বোলিং করানো যাবে

না।’লাথাম আরও যোগ করেন, ‘মূলত এ কারণেই আমার সামনে মাত্র একটি পথ খোলা ছিল। সেটি হলো টেলরকে বোলিংয়ে আনা। আর এই গল্পটা (টেলর উইকেট নেওয়ার মাধ্যমে ম্যাচ শেষ হওয়া) এর চেয়ে ভালোভাবে লেখা সম্ভব হতো না।’টেলরের

বিদায়ী উদযাপনের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই চাচ্ছিল আমিই যেন ক্যাচটি তালুবন্দী করি। টেস্ট ম্যাচটি এভাবে শেষ করতে পারা দারুণ ছিল। গত ১৭ বছর ধরে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে দারুণ সার্ভিস দিয়েছেন টেলর। আমরা আজ রাতে তার

পরিবারের সঙ্গে উদযাপনের অপেক্ষায় আছি।’ম্যাচ শেষে টেলর বলেছেন, ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘আমরা ভালো খেলেছি। বাংলাদেশ আমাদের চাপে রেখেছিল। তবে বল হাতে আমরা তাদের জবাব দিয়েছি। আমার জন্য, আমার পরিবার, বন্ধুদের জন্য এটা আবেগপূর্ণ ম্যাচ ছিল। ম্যাচের শেষটা কী দারুণভাবেই হলো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *