দেশকে গর্বিত করতে পেরে খুশি শানাকা

শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের চাইতেও বাজে। কিন্তু শেষটা রাঙালো এশিয়া কাপ ট্রফি দিয়েই। বদলে যাওয়া লঙ্কানদের এবারের এশিয়া কাপটা ছিল যেন রূপকথার মতো। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর আগেও যেখানে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ভারত কিংবা পাকিস্তান। সেখানে শ্রীলঙ্কার মতো ভাঙাচোরা একটা দলের কাছে, সমর্থকদের প্রত্যাশাই বা ছিল কতটুকু। এশিয়া কাপ শেষে সেই লঙ্কান সিংহরাই বিজয়ী বেশে।

ষষ্ঠবারের মতো এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট মাথায় দিয়ে রাজাপাকসে-হাসারাঙ্গারা দেশকে করেছে গর্বিত। রাজনৈতিক অস্থিরতা-আর্থিক সঙ্কটের মাঝেও দেশের জনগনের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাতে পেরেই যেন বেজায় খুশি লঙ্কান দলপতি দাসুন শানাকা। ম্যাচ শেষে তাই সেই আনন্দ লুকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন এই লঙ্কান তারকা।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শানাকা বলেছেন, ‘আমি এখানে আমাদের সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। তাঁরা আমাদের দারুণ সমর্থন দিয়েছেন। দেশের মানুষকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আশা করি, আমরা তাদের গর্বিত করতে পেরেছি।’

উল্লেখ্য, দুবাইয়ে শিরোপা নিষ্পত্তিত ম্যাচে টস জিতে লঙ্কানদের ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। ব্যাটিংয়ে শুরুটা লঙ্কানদের পক্ষে কথা না বললেও, ভানুকা রাজাপাকসের ব্যাটে শেষটা ছিল শ্রীলঙ্কারই। রাজাপাকসের আনবিটেন ৭১ রানে ভর করে শ্রীলঙ্কা তুলেছিল ১৭০ রান।

দুবাইয়ের এই মাঠে এই রান তাড়া পাকিস্তানের জন্য ছিল না অসম্ভব। তবে সেই অসম্ভব কাজটাই বল হাতে করে দেখিয়েছেন হাসারাঙ্গা-মাধুশানরা। দাপট দেখানো বোলিংয়ে, কোনঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ১৪৭ রানেই গুটিয়ে যায় বাবর আজমের দল। ২৩ রানের জয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬ষ্ঠ বারের মতো এশিয়া কাপের শিরোপা ঘরে তুলে শ্রীলঙ্কা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *