নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাতে নতুন কৌশল নিয়ে হাজির আফগান লেগ স্পিনার রশিদ

আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার রশিদ খান বল হাতে এমনিতেই অপ্রতিরোধ্য। মাত্র ২৩ বছর বয়সে বিশ্বজুড়ে বোলিং দাপটে হয়ে উঠেছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ গুলোর হটকেক। তবে বল হাতে শেখায়

থামতে চান না এই আফগান লেগ স্পিনার ক্রিকেটার। নতুন নতুন অস্ত্র এবং ভ্যারিয়েশন নিয়ে নিজের বোলিং আক্রমণকে শাণিত করতে চান আরও। আসন্ন এশিয়া কাপে রশিদ খানের

আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে মাঠে নামার আগে নতুন অস্ত্র আরও শাণিত করতে পরিশ্রম করছেন বেশ, এমনটাই জানিয়েছেন এই আফগান লেগ

স্পিনার। ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রশিদ খান নিজের নতুন ভ্যারিয়েশন নিয়ে বলেন, ‘বিভিন্ন ডেলিভারি রপ্ত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

এই মুহূর্তে সেগুলো কেবল নেটেই করছি, ম্যাচে প্রয়োগ করছি না।’ এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে নতুন অস্ত্রগুলোর প্রয়োগ করেছিলেন। আবারও সামনে মুখোমুখি বাংলাদেশ। নতুন এই অস্ত্রগুলো

ম্যাচে প্রয়োগ করে আরও কার্যকর হতে কাজ চালিয়ে যাওয় রশিদ আরও যোগ করেন, ‘স্লো লেগ স্পিন, যেটা নিয়ে আমি কাজ করছি, পিএসএলে কয়েকবার করেছি এবং (গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে)

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজেও। ভালোই হয়েছিল, তবে ওই বলের ওপর আমার আরও নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। যাতে ওই ডেলিভারিগুলোতে রান দেওয়ার বদলে আরও বেশি কার্যকর হতে পারি। হ্যাঁ, নতুন

কয়েকটি ডেলিভারি নিয়ে কাজ করছি। তবে সেগুলো আরও অনুশীলন করতে হবে, এরপর ম্যাচে প্রয়োগ করতে পারব। এই মুহূর্তে, এখন পর্যন্ত যেমন বোলিং করে আসছি, আমার মনে হয় এতেই হচ্ছে।

এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপে আমি সেটার ওপরই নির্ভর করব। ধারাবাহিকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’ যদিও ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই না ভেবে নিজের বোলিংকে সাধারণ রাখার কথা জানিয়ে রশিদ আরও যোগ

করেন, ‘আমার কাছে এটা পরিষ্কার যে, বোলিংটাকে খুবই সাধারণ রাখা উচিত। আগামীকাল কী হতে চলছে, এটা নিয়ে খুব একটা ভাবি না। আজ কী ঘটছে, সেটায় মনোযোগ থাকে। একটা বিষয় আমার

মাথায় সবসময় কাজ করে, ধারাবাহিকভাবে সঠিক জায়গায় বল করা। এতে আমার নিয়ন্ত্রণ আছে। যতক্ষণ এটা আমার মাথায় থাকে, সব কিছু খুব সহজ হয়ে যায়।’ রশিদ এই বয়সেই আফগানিস্তানের

হয়ে তিন ফরম্যাটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার। টেস্টে ৩৪টি, ওয়ানডেতে ১৫৮টি এবং টি-টোয়েন্টিতে ১১০টি উইকেট রয়েছে রশিদের নামের পাশে। এছাড়াও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে মাত্র

১৭.৮৯ গড়ে ৪৬৯ উইকেট নিয়েছেন রশিদ। যেখানে ইকোনমি মাত্র ৬.৩৯। আধুনিক ক্রিকেটে যা ঈর্ষনীয় বটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *