মাত্র পাওয়াঃ এশিয়াকাপে দলের খালি জায়গা পুরন করতে সুযোগ পেলো এই দুই বিধ্বংসী তারকা খেলোয়ার

আর মাত্র ৫দিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের এশিয়াকাপ। এশিয়াকাপের আগে প্রায় সকল প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তবে এশিয়াকাপের আগে হটাৎ করে একেরপর এক দলের গুরুত্বপূর্ন খেলোয়ারদের ইনজুরি বেশ

চিন্তায় ফেলেছে বিসিবি।কারন হুটকরে এভাভে এশিয়াকাপের জন পার্ফেক্ট খেলোয়ার খুজে পাওয়া বেশ দুষ্কর বিসিবির কাছে। বিশেষ করে ওপেনিং নিয়ে বেশি চিন্তায় আছে বিসিবি। কারন এশিয়াকাপে বর্তমানে ওপেনিং আছে মাত্র দুইজন।

তামিম আগেই অবসরে চলে গেছে, লিটন দাস ইনজুরিতে।আনামুল হক বিজয় ও পারজেভ ইমনকে ওপেনিংয়ে রেখে দল ঘোষনা করে বিসিবি। তবে মাত্র দুজন ওপেনার দিয়ে একটা টুর্নামেন্ট খেলা বেশ বড় একতা চ্যালেঞ্জিংয়ের বিষয়।

তবে ওপেনিংয়ের সমস্যা সমাধানে বিসিবি নাঈম শেখকে দলে এনেছে বলে যানাগেছে।মূলত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শতক হাঁকিয়ে এশিয়া কাপের দলে জায়গা করে নিলেন এই বাঁহাতি

ওপেনার। একইসঙ্গে স্ট্যান্ডবাই থেকে স্কোয়াডে আসলেন মৃত্যুঞ্জয়। যার ফলে বাংলাদেশের স্কোয়াডে ক্রিকেটার সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ালো ১৮-তে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা এশিয়া কাপের স্কোয়াডে নাঈমের অন্তর্ভূক্তির বিষয়টি নিশ্চিত

করেন। উইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে অবশ্য এশিয়া কাপের জন্য বিবেচনায় ছিলেন না নাঈম। বরং সৌম্য সরকারকে ঝালিয়ে দেখার পরিকল্পনা ছিল বিসিবির।একইসঙ্গে এশিয়া কাপের স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়া সাব্বির রহমানকেও

ম্যাচ ফিটনেস পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল বিসিবির।সৌম্য সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলেও নাঈম ঠিকই নিজের কাজ করে দেখিয়েছেন। সিরিজের প্রথম ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে ফিরলেও দ্বিতীয় ম্যাচে শতক হাঁকিয়ে বসেন নাঈম।

এই ওপেনারের ১১৬ বলে ১০৩ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি থেকেই আসে ৬২ রান। যেখানে ১৪ চারের পাশাপাশি ১টি ছয়ের মারও রয়েছে নাঈমের। যদিও শেষ ম্যাচে অবশ্য আবারও সিঙেল ডিজিট ৩ রানে আউট হয়ে ফেরেন নাঈম।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ বিবেচনায় ব্যাট হাতে বেশ ধারাবাহিক ব্যাটসম্যানই ছিলেন নাঈম। কিন্তু আধুনিক ক্রিকেটসুলভ স্ট্রাইক রেট মেন্টেন করতে না পারায় দল থেকে ছিটকে যান এই ব্যাটসম্যান। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের জার্সিতে ৩৪ টি-টোয়েন্টিতে রান আছে ৮০৯। ২৪ গড় থাকলেও স্ট্রাইক রেট মোটেও টি-টোয়েন্টি সুলভ নয়। মাত্র ১০৩.৭১।

এদিকে হাসান মাহমুদের জায়গায় সুযোগ পাওয়া মৃত্যুঞ্জয়ও উইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে বল হাতে ছিলেন দারুণ সফল। তিন ম্যাচের তিন ইনিংস বোলিং করে মোট ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। কেবল উইন্ডিজ ‘এ’ দলের বিপক্ষে নয় টি-টোয়েন্টিতে দারুণ সফল এই পেসার। এখন পর্যন্ত ১৪ ম্যাচে শিকার করেছেন ১৮ উইকেট, যেখানে গড় মাত্র ১৭।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *