রাজাপাকসের ব্যাটিং তান্ডবের পর হাসরাঙ্গার মারকাটারি বলে পাকিস্থানকে বিশাল ব্যবধানে হারালো শ্রীলঙ্কা

শুরুতেই আফগানিস্তানের কাছে হার। তার পর বাংলাদেশকে হরিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে শ্রীলঙ্কা এশিয়া কাপের ফাইনালে জায়গা করে নেয়। সুপার ফোরে তারা হারায় আফগানিস্তান, ভারত ও পাকিস্তানকে। অন্যদিকে পাকিস্তানেরও ভারতের বিরুদ্ধে হার দিয়ে শুরু করে। পরে হংকংকে হারিয়ে সুপার ফোরে প্রবেশ করে। সুপার ফোরে ভারত

ও আফগানিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেন বাবর আজমরা।শ্রীলঙ্কা শেষ ওভারে নাসিম শাহর শেষ ২টি বলে একটি চার ও ১টি ছক্কা মারেন। ওভারে মোট ১৫ রান ওঠে। শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৭০ রান সংগ্রহ করে। সুতরাং জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ১৭১ রান। ভানুকা রাজাপক্ষে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ৪৫ বলে ৭১ রান করে নট-আউট থারেন।

পাকিস্তানের পক্ষে মহম্মদ রিজওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে ওপেন করতে নামেন বাবর আজম। বোলিং শুরু করেন মদুশঙ্কা। শুরুতেই পরপর পাঁচটি অতিরিক্ত বল করেন মদুশঙ্কা। তিনি একটি নো-বল ও চারটি ওয়াইড বল করেন। একটি ওয়াইড বল বাউন্ডারিতে চলে যায়। সুতরাং, কোনও বল করার আগেই পাকিস্তানকে ৯ রান উপহার দেন মদুশঙ্কা। ১১ বলের প্রথম ওভারে পাকিস্তান ১২ রান সংগ্রহ করে।

ফের ব্যর্থ বাবর ফাইনালে ৫ রান করে মাঠ ছাড়েন তিনি। ৩.২ ওভারে মদুশানের বলে আউট হয় বাবর। পাকিস্তান ২২ রানে ১ উইকেট হারায়। ব্যাট করতে নামেন ফখর জামান।বাবর আউট হওয়ার পরের বলেই মাঠ ছাড়েন ফখর জামান। ৩.৩ ওভারে ফখরকে বোল্ড করেন মদুশান। গোল্ডেন ডাকে সাজঘরে ফেরেন ফখর। পাকিস্তান ২২

রানে ২ উইকেট হারায়। ব্যাট করতে নামেন ইফতিকার আহমেদ। মদুশান নিজের প্রথম ওভারে ৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট নেন।
৪.৩ ওভারে মদুশানের বল ইফতিকারের ব্যাটের কানায় লেগে উইকেটকিপারের দস্তানায় জমা পড়ে। আম্পায়ার আউট দেননি। শ্রীলঙ্কা রিভিউ না নেওয়ায় বেঁচে যান

ইফতিকার। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে পাকিস্তান ২ উইকেটে ৩৭ রান তুলে। ৮ম ওভারে দলগত ৫০ রানের গণ্ডি টপকায় পাকিস্তান।।প্রথম ১০ ওভারে পাকিস্তানের স্কোর দারায় ২ উইকেটে ৬৮ রান। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১০৩ রান।

১৩.২ ওভারে মদুশানের বলে ফেরেন ইফতিকার। ৩১ বলে ৩২ রান করে মাঠ ছাড়েন পাক তারকা। পাকিস্তান ৯৩ রানে ৩ উইকেট হারায়। ব্যাট করতে নামেন মহম্মদ নওয়াজ। ১৪ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর দাড়ায় ৩ উইকেটে ৯৭ রান। জয়ের জন্য ৬ ওভারে তাদের দরকার ছিল ৭৪ রান।১৫তম ওভারে দলগত ১০০ রানের গণ্ডি

টপকায় পাকিস্তান।৪৭ বলে ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মহম্মদ রিজওয়ান।১৬.১ ওভারে হাসারাঙ্গার বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে গুণতিলকের হাতে ধরা পড়েন মহম্মদ রিজওয়ান। ৫৫ রান করে ফেরেন এই তারকা।১৬.৩ ওভারে আসিফ আলিকে বোল্ড করেন হাসারাঙ্গা। সুতরাং একই ওভারে ২টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন

ওয়ানিন্দু।একই ওভারে ৩টি উইকেট হাসারাঙ্গার। ১৬.৫ ওভারে খুশদিলকে ফিরিয়ে দেন তিনি।১৭ ওভার শেষে পাকিস্থানের স্কোর দাড়ায় ১১২ রানে ৭ উইকেট।১৮তম ওভারে সাদাব খানের উইকেট তুলে নেয় মহেশ থেকশান।৬ বলে ৮ রান করেফেরেন তিনি।১৯ তম ওভারে নাসিম শাহকে ফেরান প্রমোদ মদুশান ২ বলে ৪ রান করে ফেরেন তিনি।

পাকিস্তান ১২৫ রানে ৯ উইকেট হারায়।পাকিস্থানের তখন দরকার ১০ বলে ৪৫ রান হাতে মাত্র ১ টি উইকেট।শেষ ওভারবল করতে আসেন করুণারত্নে সেই ওভারের শেষ বলে উইকেট নিয়ে দেয় ৮ রান আর তাতে করেই শ্রীলঙ্কা জয় পায় ২৩ রানে। পাকিস্থানের স্কোর দাড়ায় ২০ ওভার শেষে ১০ উইকেটে ১৪৭ রান।২০০০ সালের এশিয়া কাপে পাকিস্তানে কাছে হাড়িয়েছিল শ্রীলঙ্কাক। দীর্ঘ ২২ বছর পরে সেই ব্যাথা এবার ভুললো তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *