রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ হেরে বিদায় বাংলাদেশের

 

বাংলাদেশকে বিদায় করে এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কা

বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা শুভ করে পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৫ রান তুলে ফেলেন তারা। এসময় নিশাঙ্কাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন এবাদত হোসেন। সেই রেশ না কাটতেই চরিথ আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে দেন তিনি। কিছুক্ষণ পরই দানুস্কা গুনাথিলাকাকে ফিরিয়ে লঙ্কানদের বিপদে ফেলেন এবাদত।<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>

বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা শুভ করে পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। উদ্বোধনী জুটিতে ৪৫ রান তুলে ফেলেন তারা। এসময় নিশাঙ্কাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন এবাদত হোসেন। সেই রেশ না কাটতেই চরিথ আসালাঙ্কাকে ফিরিয়ে দেন তিনি। কিছুক্ষণ পরই দানুস্কা গুনাথিলাকাকে ফিরিয়ে লঙ্কানদের বিপদে ফেলেন এবাদত।

<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>

এর মধ্যে ভানুকা রাজাপক্ষেকে তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় টাইগাররা। তবে একপ্রান্ত আগলে থেকে যান মেন্ডিন। একের পর এক দুর্দান্ত শটে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের বুকে কাঁপন ধরান তিনি। দলীয় ১৩১ রানে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন তিনি। ইতোমধ্যে ৩৭ বলে ৬০ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন উইকেটকিপার ব্যাটার।

<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>

এর জেরের মধ্যেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে শিকার বানান তাসকিন আহমেদ। এতে খেলা জমে ওঠে। তবে রানের ফোয়ারা ছোটাতে থাকেন দাসুন শানাকা। এতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে শ্রীলঙ্কা। ৩৩ বলে ৪৫ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলে ফেরেন তিনি।

<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। তবে দীর্ঘদিন পর দলে সুযোগ পাওয়া সাব্বির রহমান শুরুটা ভালো করতে পারেননি। অশিথা ফার্নান্দোর শিকার হয়ে ফেরেন তিনি।

<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>
<figure><img class=”tie-appear” src=”https://i.imgur.com/op8E2Cp.jpg” /></figure>

কিন্তু ওপেনিংয়ে ব্যতিক্রম ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ঝড় তোলেন তিনি। এতে পাওয়ার প্লে’তেই ৫৫ রান তোলে বাংলাদেশ। অবম্য পরক্ষণেই বিদায় নেন মিরাজ। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার গুগলি বলে অ্যাক্রোস দ্য লাইন সুইপ শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি।

ফেরার আগে ২৬ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ রান করেন মিরাজ। তিনি হওয়ার খানিক পর চামিকা করুণারত্নের বল ব্যাকফুটে ডিফেন্ড করতে গিয়ে কুশল মেন্ডিসের গ্লাভসবন্দি হন মুশফিকুর রহিম।

এরপর দারুণ খেলতে থাকা সাকিবও টিকতে পারেননি। মাহিশ থিকসানার বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। সাজঘরের পথ ধরার আগে ২২ বলে ২৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

পরে দারুণ জুটি বাঁধেন আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। স্ট্রোকের ফুলঝুরিতে ৫৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তারা। ১৪৪ রানের মাথায় দিলশান মদুশঙ্কর বলে আফিফ এবং ডি সিলভার বলে আউট হন মাহমুদউল্লাহ।এরই মধ্যে ২২ বলে ৩৯ রানের ক্যামিও খেলেন আফিফ। আর ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস উপহার দেন মাহমুদউল্লাহ।

শেষদিকে অসাধারণ ফিনিশিং টাচ দে দেন মোসাদ্দেক ও তাসকিন আহমেদ। মাত্র ৯ বলে ৪ চারে মোসাদ্দেক খেলেন ২৪ রানের দারুণ এক ইনিংস। তাসকিন ৬ বলে ১ ছক্কায় করেন ১১ রান। এতেই ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

এর মধ্যে ভানুকা রাজাপক্ষেকে তুলে নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় টাইগাররা। তবে একপ্রান্ত আগলে থেকে যান মেন্ডিন। একের পর এক দুর্দান্ত শটে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের বুকে কাঁপন ধরান তিনি। দলীয় ১৩১ রানে মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন তিনি। ইতোমধ্যে ৩৭ বলে ৬০ রানের নান্দনিক ইনিংস খেলেন উইকেটকিপার ব্যাটার।

এর জেরের মধ্যেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে শিকার বানান তাসকিন আহমেদ। এতে খেলা জমে ওঠে। তবে রানের ফোয়ারা ছোটাতে থাকেন দাসুন শানাকা। এতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে শ্রীলঙ্কা। ৩৩ বলে ৪৫ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস খেলে ফেরেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। তবে দীর্ঘদিন পর দলে সুযোগ পাওয়া সাব্বির রহমান শুরুটা ভালো করতে পারেননি। অশিথা ফার্নান্দোর শিকার হয়ে ফেরেন তিনি।

কিন্তু ওপেনিংয়ে ব্যতিক্রম ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।সাকিব আল হাসানকে নিয়ে ঝড় তোলেন তিনি। এতে পাওয়ার প্লে’তেই ৫৫ রান তোলে বাংলাদেশ। অবম্য পরক্ষণেই বিদায় নেন মিরাজ। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার গুগলি বলে অ্যাক্রোস দ্য লাইন সুইপ শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি।

ফেরার আগে ২৬ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩৮ রান করেন মিরাজ। তিনি হওয়ার খানিক পর চামিকা করুণারত্নের বল ব্যাকফুটে ডিফেন্ড করতে গিয়ে কুশল মেন্ডিসের গ্লাভসবন্দি হন মুশফিকুর রহিম।

এরপর দারুণ খেলতে থাকা সাকিবও টিকতে পারেননি। মাহিশ থিকসানার বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। সাজঘরের পথ ধরার আগে ২২ বলে ২৪ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

পরে দারুণ জুটি বাঁধেন আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। স্ট্রোকের ফুলঝুরিতে ৫৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তারা। ১৪৪ রানের মাথায় দিলশান মদুশঙ্কর বলে আফিফ এবং ডি সিলভার বলে আউট হন মাহমুদউল্লাহ।এরই মধ্যে ২২ বলে ৩৯ রানের ক্যামিও খেলেন আফিফ। আর ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস উপহার দেন মাহমুদউল্লাহ।

শেষদিকে অসাধারণ ফিনিশিং টাচ দে দেন মোসাদ্দেক ও তাসকিন আহমেদ। মাত্র ৯ বলে ৪ চারে মোসাদ্দেক খেলেন ২৪ রানের দারুণ এক ইনিংস। তাসকিন ৬ বলে ১ ছক্কায় করেন ১১ রান। এতেই ১৮৩ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় বাংলাদেশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *