রেকর্ড গড়ে বিজয়ের প্রাপ্তি কেবল ৩ ম্যাচ!

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) চলমান আসরে প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই দুর্দান্ত শতক হাঁকিয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ডিপিএল এলেই যেন বিজয়ের ব্যাট হাসে। শুধু এবারই নয়, গত ডিপিএলে রীতিমতো অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স করেন

তিনি। দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে রেকর্ড গড়ে বিজয় জাতীয় দলের জন্য সুযোগ পেলেও স্থায়ী হতে পারেননি তিনি। ওয়ানডে ফরম্যাটে তিন ম্যাচ বাজে খেলাতেই বাদ পড়েন এই ডানহাতি ব্যাটার। গত আসরে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট

লিগ লিস্ট ‘এ’ এর স্বীকৃতি পাওয়ার পর প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আসরটিতে হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন বিজয়। প্রাইম ব্যাংকের জার্সিতে গেল আসরে এই ব্যাটার ১৪ ম্যাচের ১১টিতেই বড় রান পেয়েছেন। ৮টি পঞ্চাশ এবং তিনটি

শতকে ৮০ গড়ে ১০৪২ রান করেছিলেন বিজয়। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল ১৮৪ রান।ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করার সুবাদে জাতীয় দলের দরজাও খুলে যায় বিজয়ের জন্য। তবে সেখানেও পর্যাপ্ত সুযোগ মেলেনি এই ব্যাটারের। ওয়ানডে

ফরম্যাটে পারফর্ম করা বিজয়কে জাতীয় দলের জার্সিতে শুরুতেই নামিয়ে দেয়া হয় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। একই পাশাপাশি বিজয় ওয়ানডে সিরিজ খেলেন জিম্বাবুয়ে এবং ভারতের বিপক্ষে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে দুই

ম্যাচেই অর্ধ-শতক হাঁকান বিজয়। জিম্বাবুয়ে সিরিজে রান পেলেও বিজয় ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাটিতে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বিজয় রান করেন যথাক্রমে ১৪, ১১ ও ৮। রেকর্ড গড়ে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া বিজয়

তিন ম্যাচ বাজে পারফরম্যান্স করার কারণে বাদ পড়ে যান দল থেকে। জাতীয় দলের অনেক ক্রিকেটার যখন ব্যর্থ হওয়ার পরও বারবার সুযোগ পাচ্ছে সেখানে কেবল তিন ম্যাচ বাজে খেলার কারণেই বাদ পড়তে হয় বিজয়কে। বছর ঘুরে আবারও

মাঠে গড়াল ডিপিএল। আবারও হাসলো বিজয়ের ব্যাট। বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) আবাহনীর জার্সিতে ১১৮ বলে ১২৩ রান করেন। হয়তো এবারের ডিপিএলেও ছন্দে থাকবেন বিজয়। তবে জাতীয় দলে পুনরায় সুযোগ পাবে কিনা তা

নিয়ে রয়েছে সংশয়। গত ডিপিএলে বিজয় যেভাবে ছন্দে থেকে জাতীয় দলে সুযোগ পায় সেখানে কেবল মাত্র এক সিরিজ বাজে খেলাতেই বিজয়কে বাদ দিয়ে তার প্রতি কিছুটা যেন অবিচারই করলো নির্বাচকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *