হাথুরুসিংহে আসলে খারাপ হবে না: খালেদ মাহমুদ সুজন

একদিন আগেই বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম হিসেবে ডেভিড মুরকে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি। নিউ সাউথ ওয়েলসে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে কাজ করতেন এই অস্ট্রেলিয়ানকে। হাথুরুসিংহে

যে বাংলাদেশের প্রধান কোচ হয়ে আসছেন মুরকে নিয়োগ দিয়ে সেটা যেন আরও খানিকটা পরিষ্কার করেছে বিসিবি। যদিও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক

সংস্থাটি। এদিকে খালেদ মাহমুদ সুজন মনে করেন, হাথুরুসিংহে আবারও কোচ হয়ে এলে খারাপ হবে না। রাসেল ডমিঙ্গো পদত্যাগ করার পর থেকে প্রধান কোচের সন্ধ্যানে বিসিবি। বেশ কয়েকজনের

নাম শোনা গেলেও সেখানে সবার উপরে ছিলেন হাথুরুসিংহে। এখন পর্যন্ত চুক্তি পত্রে স্বাক্ষর না হলেও সাবেক এই লঙ্কান যে আসছেন সেটা প্রায় নিশ্চিত। প্রথম ধাপে বাংলাদেশের হয়ে কাজ করার সময়

দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন তিনি। তার অধীনে ২০১৫ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালেও উঠেছিল টাইগাররা। শুধু

বিশ্বকাপ মঞ্চে নয়, দ্বিপাক্ষিক সিরিজেও সাফল্য পেয়েছেন হাথুরুসিংহে। তার অধীনে ভারত, পাকিস্তান এবং সাউথ আফ্রিকাকে ঘরের মাঠে ওয়ানডে সিরিজ হারায় বাংলাদেশ। টেস্ট সাকিব আল

হাসানরা হারায় অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মতো দেশকে। সাবেক এই লঙ্কান কোচের অধীনে বাংলাদেশ নিজেদের সেরা সময় পার করেছে। তবে তার চলে যাওয়ার পুরো প্রক্রিয়া, মাশরাফি বিন মর্তুজাকে

টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেয়ানোসহ- সব মিলিয়ে তাকে ঘিরে সমালোচনাও রয়েছে। তবুও হাথুরুসিংহে এলে বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে মনে করেন সুজন। এ প্রসঙ্গে খুলনা টাইগার্সের প্রধান কোচ

বলেন, ‘হাথুরুর ব্যাপারটা আমি নিশ্চিত না। তবে হাথুরু এলে ভালো, ও এখানে কাজ করে গেছে, বাংলাদেশের অনেক ভালো পারফরম্যান্স আছে। আমার বিশ্বাস ও এখন আরও ম্যাচিউর, আমাদের জন্য

ভালো হবে।’ ‘ও আসলে ভালোই হবে, ও এসে বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনেক কিছু বদলে দিয়েছিল, পারফরম্যান্সটা ভালো হচ্ছিল। দ্বিতীয়বার আসাটা খারাপ হবে না, আমিও খারাপভাবে নিচ্ছি না।

যেহেতু আমাদের উপমহাদেশের মানুষ, আমাদের সম্পর্কে ভালো জানেন, বুঝেন। ওর অভিজ্ঞতা এখন অনেক সত্যি বলতে গেলে।’ সবশেষ এশিয়া কাপ ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের টেকনিক্যাল

কনসালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন শ্রীধরন শ্রীরাম। বিশ্বকাপ পর্যন্ত চুক্তি থাকায় ভারত ফিরে গেছেন তিনি। যদিও তাকে আবারও পেতে চায় বিসিবি। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব নিতে প্রস্তুতও

রয়েছেন শ্রীরাম। তবে বাগড়া বেঁধেছে হাথুরুসিংহের চাওয়াতে। বাংলাদেশের তিন সংস্করণের হয়ে কাজ করতে চান সাবেক এই প্রধান কোচ। শ্রীরামকে নিজের সহযোগী হিসেবে দেখতে চান তিনি। দুজনই

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবেন কিনা তা কদিনের মাঝেই চূড়ান্ত হবে। বাংলাদেশের প্রয়োজনে দুই-তিনজনকে নিয়োগ দিতে হলেও সেটা করবে বিসিবি। সুজন বলেন, ‘আসলে বিসিবিতে আমরা

চিন্তা করি আমাদের জন্য কোনটা ভালো। আমাদের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কে ভালো হবে। সেটা যদি হাথুরু হয় বা শ্রীরাম হয়, বা যে কেউ হোক না কেন, বা দুইজন হয় সেটাও ভালো,

তিনজন হলেও ভালো। যেটা দেশের জন্য, দলের জন্য ভালো, সেটা চিন্তা করব। যে আসে সে যেন দেশকে সার্ভিস দিতে পারে। লম্বা সময় যেন কোচিং করাতে পারে, এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *